1500 বছর ধরে আলিমদের অর্থাৎ সম্মানিত হারাম খোরদের দ্বারা যা অবহেলিত হয়েছে, তা হল- পবিত্র কোরানের বিজ্ঞান অথচ পবিত্র কোরানে আল্লাহ খুবই জোরদার ও গুরুত্বপূর্ণ ভাবে বলেছেন, শুধু বলেন নি বরং প্রস্তাব করেছেন- وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ সঠিক অনুবাদ হবে এমন-"শপথ বিজ্ঞানময় কোরানের"(36:2)।
কিন্তু দুঃখজনক যে, কোরান বিজ্ঞানময়- এটা আলিম গণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ মেনে নিতেই পারেন না!! তাই তারা উক্ত আয়াতের অনুবাদটি করে থাকেন এভাবে-"শপথ প্রজ্ঞাময় কোরানের"। কেউ-কেউ অনু বাদ করেন-"শপথ বিজ্ঞতাপূর্ণ কোরানের"।
আর কেউ-কেউ অনুবাদ করেছেন-"শপথ জ্ঞানগর্ভ কোরানের"। আবার কেউ-কেউ তো সমস্ত কিছুর মাত্রা ছাড়িয়ে 'সহজ-সরল ভাষায় একেবারে ছোট্ট' অনুবাদ করেছেন-"শপথ কোরানের"।
পাঠক, আমি ভেবে পাই না- কেন তারা বিজ্ঞান শব্দটি কে এত বেশি ঘৃণা করেন!! বিজ্ঞান শব্দটিকে ঘৃণার কারণেই তারা কোরানকে প্রজ্ঞাময় মেনে নিতে রাজি কিন্তু বিজ্ঞানময় মেনে নিতে পারেন না!!
এখানে হাঁসির ও মজার কথা হল- এই প্রজ্ঞা শব্দটি বিজ্ঞান শব্দেরই সমার্থক শব্দ!! বিজ্ঞানের জ্ঞানকেই বলা হয়- প্রজ্ঞা। আর যার কাছে বিজ্ঞানের জ্ঞান আছে/ যিনি বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করেছেন, তাকে বলা হয়/ হবে- বিজ্ঞ/ বিজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
পাঠক, এবার আমরা দেখে নেব- বিজ্ঞান কাকে বলে/ বিজ্ঞানের সংজ্ঞা কি!! বিজ্ঞানের সংজ্ঞা খুব এবং খুবই সহজ। আমি ছোট বেলায় School এ পড়েছি- কোনও বিশেষ ধরণের জ্ঞানকে বলা হয়- বিজ্ঞান। যার কাছে বিজ্ঞানের জ্ঞান আছে/ যিনি বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করেছেন, তাকে বলা হয়/ হবে- বিজ্ঞানী।
পাঠক, এবার আমরা দেখে নেব- প্রজ্ঞা কাকে বলে/ প্রজ্ঞার সংজ্ঞা কি!! কোনও বিশেষ ধরণের জ্ঞানকে বলা হয়- প্রজ্ঞা। যার কাছে প্রজ্ঞা আছে/ যিনি প্রজ্ঞা অর্জন করেছেন, তাকে বলা হয়/ হবে- প্রজ্ঞাময়!!
এবার আমরা দেখে নেব- বিজ্ঞ কাকে বলে!! কোনও বিশেষ ধরণের জ্ঞান যার কাছে আছে/ যিনি কোনও বিশেষ ধরণের জ্ঞান অর্জন করেছেন, তিনি বিজ্ঞ/ জ্ঞেয়। আর বিজ্ঞের বা জ্ঞেয়র কথা/ কাজকে বলা হয়ে থাকে- বিজ্ঞতাপূর্ণ!!
তাহলে কি বোঝা গেল?? এটাই যে- প্রজ্ঞাময়, বিজ্ঞ ও বিজ্ঞানী শব্দ ত্রয়ের অর্থ একই এবং আরবিতে বলা হয়- حَكِيمُ (হাকিম বা হাকিমু), আল্লাহর ক্ষেত্রে الْحَكِيمُ (আল হাকিমু)।
এবার আমরা দেখে নেব- জ্ঞানী কাকে বলে!! যদি কেউ কোনও বিষয় সম্পর্কে জানে, তাকে সেই বিষয়ের জ্ঞানী বলা হয়/ হবে। আর জ্ঞানীর কথাকে বলা হয়/ হবে- জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য ইত্যাদি। আল্লাহ জ্ঞানী, তাই তার কথা জ্ঞানগর্ভ- এতে সন্দেহ নেই কিন্তু وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ (ওয়াল কুরানীল হাকিম) কথার অর্থ-"শপথ জ্ঞানগর্ভ কোরানের" নয়!!
আরবি حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের পরিচিত অর্থ- বিজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময় ও বিজ্ঞ। এক কথায়, জ্ঞানী শব্দের আরবি প্রতিশব্দ হল- عَلِيمُ (আলিম বা আলিমু), বিশেষ ভাবে الْعَلِيمُ (আল আলিম/ আলিমু)।
প্রশ্ন হবে- তাহলে কি حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ জ্ঞানী, এটা ভুল?? উত্তর সহজ- ভুল নয় কিন্তু সঠিকও নয়!! কেননা, আরবি حَكِيمُ (হাকিম) টি নিদিষ্ট আর عَلِيمُ (আলিম) টি সাধারণ!! বোঝেন নি, তাই না??
দাঁড়ান, বলছি। আরবি حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ হবে- বিজ্ঞ, প্রজ্ঞাময় ও বিজ্ঞানী। এক কথায়- বিশেষ জ্ঞানী। আর عَلِيمُ (আলিম) শব্দের অর্থ- জ্ঞানী। বিশেষ জ্ঞানও তো জ্ঞানেরই অন্তর্ভুক্ত। তাই حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ- জ্ঞানী, এটা অবশ্য ভুল নয় কিন্তু সঠিকও নয়!! কারণ حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ- বিজ্ঞ, প্রজ্ঞাময় ও বিজ্ঞানী।
কিন্তু জানি যে, এরপরও আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ বলবেন- না, حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ জ্ঞানী!! তাই আমরা আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণের জন্য "বিশেষ একটি আয়াত" নিয়ে এসেছি, দেখুন-
قَالُوا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا ۖ إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তারা বলল (ফেরেস্তারা), আপনি (আল্লাহ) পবিত্র। আমাদের কোনও জ্ঞান নেই, আপনি যা শিখিয়েছেন, তা ছাড়া। নিশ্চয় আপনিই জ্ঞানী এবং বিজ্ঞানী"(2:32)। এই একই ধরণের আয়াত 27:7 তেও আছে।
যদি আপনি বলেন- না, حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ জ্ঞানী, তাহলে উক্ত إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ (ইন্নাকা আনতাল আলিমুল হাকিম) আয়াতাংশের অনুবাদটি হবে হাস্যকর, দেখুন-"নিশ্চয় আপনিই জ্ঞানী এবং জ্ঞান"(2:32)। যদি এই অনুবাদ সঠিক হয়, আমাদের তাহলে মনে হয়- ফেরেস্তারা পাগল হয়ে গিয়েছিল, আর আল্লাহ Double পাগল। আল্লাহ Double পাগল না হলে কি পাগলদের কথা কোরানে Quote করে??
পাঠক, এখন আমার মাথায় সম্মানিত হারামখোরদের পক্ষ থেকে 2 টি প্রশ্ন আসছে- ১) প্রজ্ঞা শব্দের অর্থ বিজ্ঞানের জ্ঞান এবং প্রজ্ঞাময় শব্দের অর্থ বিজ্ঞানী বা বিজ্ঞানপূর্ণ, এই তথ্য কোথায় আছে?? আর ২) কোনও অনুবাদক কি حَكِيمُ (হাকিম) শব্দের অর্থ কি বিজ্ঞানী অনুবাদ করেছেন??
সুধী পাঠক, বিস্তারিত আলোচনায় প্রবেশের পূর্বে 5 জন পাঠকের মন্তব্য তুলে ধরতে চাইছি, যেমন প্রতিটা লেখায় তুলে ধরি, যেন আমাকে ও আমার লেখাকে সহজেই মূল্যায়ন করতে পারেন!! দেখুন-
১) হোসেন কুরানী একটা শুয়োরের বাচ্চা, খা★কির ছেলে। সাহাবা (রা)- রা বিনা হিসাবে জান্নাতী, তাদের অনুসরণ করা ওয়াজিব- এ বিষয়ে আলিমগণের ইজমা আছে। এটা তুমি জানও না মাদারচো★??
২) যেদিন তোকে সামনে পাবও, সেদিন দেখে নেব তুই কতটা মায়ের দুধ খেয়েছিস, কত বিজ্ঞান শিখেছিস!! যতদিন আমার সঙ্গে দেখা না হচ্ছে, ততদিন আলিম দের হারামখোর বলে নে, যেদিন তোকে সামনে পাবও, সেদিন তোকে তোর মায়ের গাঁ★ এ ঢুকিয়ে দেব!! তার পর মানুষকে বিজ্ঞান শেখাবি!!
৩) আরিবা সুলতানা বলেছেন- Sir, আপনি আমার নাম লেখায় নিয়ে এসেছেন, এ জন্য আমি খুব খুব খুব খুশি হয়েছি, অনেক বেশি খুশি হয়েছি। আপনার 'কণা বিজ্ঞান' লেখাটা আমার সমস্ত বন্ধু/ বান্ধবীদের পাঠিয়ে ছিলাম। সবাই আপনার আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাইছে।
এবং আপনাকে School এর Yearly function এ Invite করতে চাইছে। আমি নিজেও আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই, বিশেষ করে ছোট'র সঙ্গে। নাহারের থেকে শুনেছি- ছোট না কি Yoga expart?? আমি ছোট'র মতো শরীর করতে চাই। দেখা করবেন তো আমাদের সঙ্গে??
৪) পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার জোমজুড় থেকে সাদ্দাম জমাদার বলেছেন- Love you sir. আমি শুধু এই টুকু জানি- হোসেন কুরানী কোরান ছাড়া কিছুই নয় (কোরান ছাড়া কিছুই বলেন না), আমি হোসেন কুরানী ছাড়া কিছুই নয় এবং হতেও চাই না!!
৫) কুরানী ভাইয়ের লেখা Atom bomb নয়, বরং তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন Hydrogen bomb এর চেয়েও বেশি শক্তিশালী। আমি Hossen qurani lover ছিলাম, কণা বিজ্ঞান পড়ে হোসেন কুরানীর পাগল হয়ে গেছি!! যদি আলিমগণ এভাবে কোরান উত্থাপিত করতেন, তাহলে আজ তাদের এত সুন্দর নাম (সম্মানিত হারামখোর/ বিশুদ্ধ গাঁজাখোর) দিয়ে ডাকতে হতো না!!
সুধী পাঠক, আমি 2'য় জনকে কিছু বলব- আররেহ ভাই, এসব কি যে বলেন!! এই পৃথিবীতে এমন একজন মানুষকে দেখান যে, আমার বেশি/ বেশিদিন মায়ের দুধ খেয়েছেন!!
কিয়ামত পর্যন্ত সময় দিলাম, আপনি খুঁজতে থাকুন কিন্তু খুঁজে পাবেন না। কেননা, এই পৃথিবীতে 11-12 বছর পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়া মানুষ একটাই আছে। মানুষ তাকে "হোসেন কুরানী নামে" চেনে!!
আমি এই পৃথিবীর একমাত্র মানুষ, যে জানে- মায়ের দুধের স্বাদ কেমন!! আমি আমার চেয়ে 5-6 বছরের ছোট অর্থাৎ আমার বড় বোনের ভাগের দুধ খেয়েছি, আমি আমার চেয়ে 7-8 বছরের ছোট অর্থাৎ আমার ছোট বোন শাহেনার'র ভাগের দুধটাও খেয়েছি এবং আমার চেয়ে 9-10 বছরের ছোট আমার ছোট ভাইয়ের ভাগের দুধটাও খেয়েছি!!
আমার কোনও ভাই-বোনই 2-4 বারের বেশি আমার মায়ের দুধ খেতে পায় নি, বলা ভাল- খেতে দিই নি। শুধু এখানেই শেষ নয়, আমি আমার মামার স্ত্রীরও বুকের দুধ খেয়েছি!!
অর্থাৎ আমার বড় বোন আমার চেয়ে 5-6 বছরের ছোট, ফলত মায়ের দুধ কমে গিয়েছিল, ঐ সময় আমি মামির বুকের দুধ খেতাম। আর শুধু মামির নয়, আমার মা বলত- আমি নাকি মোট 11 জনের দুধ খেয়েছি!!
দেখেন নি?? ঐ জন্যেই তো হোসেন কুরানীর স্মৃতি শক্তি প্রচুর এবং হোসেন কুরানীর শরীর লোহার মতো শক্তিশালী!! ঐ জন্যেই তো 5 Kg'র লোহার হাতুড়ির মার সহ্য করতে পারে!!
আচ্ছা, আপনি হোসেন কুরানীর Practice video কখনও দেখেন নি, তাই না?? মাঝে-মধ্যে দেখবেন, তা হলে হোসেন কুরানীর প্রেমে পড়ে যাবেন। আর হ্যাঁ ভাই, আগেই বলে দিচ্ছি- আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারব না!! আমি কাওমী লুত (আ) নয়, আমি উম্মাতি মুহাম্মাদ (সা)। বুঝলেন ভাই?? যাইহোক, এবার পড়ুন। অনেক Dialogue মারা হয়ে গেছে!!
বলে রাখা ভাল যে, জীবনের 23 বছর পর্যন্ত নিজের হাতে কোনও দিন ভাতও খাই নি (2-1 বার ব্যাতিক্রম)। সুতরাং ভাই, মায়ের দুধ খাওয়ার কথা বলবেন না। আর হ্যাঁ, সামনে পেলে দেখে নেবেন, সেটা অবশ্য ভিন্ন!!
মায়ের কথা বলতে মনে পড়ল ★ ★'র কথা। তিনি বলতেন- বিয়ের পর আমি আপনাকে সব সময় খাইয়ে দেব, আপনাকে নিজ হাতে খেতে দেব না। এখানে হাঁসির কথা হল- তিনি তো খাইয়ে দিলেন না, বলা ভাল হবে- সেই সৌভাগ্য আমার নেই। তবে যে দিন মায়ের কথা খুব মনে পড়ে এবং আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে যাই, তখন ছোট বোনটা খাইয়ে দেয়!!
সত্যি বলতে- মা মরার পর আমার এই 2 বোন মায়ের অভাব কখনও বুঝতেই দেয় নি। যদিও আমার বোনেরা বলে- আমি না কি ওদেরকে মায়ের অভাব বুঝতে দিই নি!! এটা আবার অন্যতম হাঁসির কথা!!
সুধী পাঠক, এবার উত্তর দিই, না কি?? প্রথম প্রশ্নের উত্তর আছে সংসদ বাংলা অভিধানের প অধ্যায়ের প্র অনুচ্ছেদের 539 নং পৃষ্ঠায়। আমি যখন মায়ের দুধ খাওয়া ছেড়েছি, তার পরই অর্থাৎ কমবেশি 13 বছর বয়সে অর্থাৎ যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি, তখন বইটি Kolkata'য় বেড়াতে গিয়ে কিনেছিলাম!!
আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে বলব- আপনি যদি পড়েন কম, ঝাড়েন বেশি, এর দায় কি আমার?? খুলুন অধ্যাপক মুহাম্মাদ মুজাম্মিল হকের লেখা তাইসিরুল কোরান। দেখুন 39:1 আয়াত, অনুবাদ করেছেন-"এ কিতাব নাযিল হয়েছে মহাপরাক্রমশালী মহাবিজ্ঞানী আল্লাহর নিকট হতে"।
পাঠক, আপনি এবার আয়াতের মূল আরবি Text টা দেখুন- تَنْزِيلُ الْكِتَابِ مِنَ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ● এখানে এই আল হাকিম শব্দের অনুবাদ করেছেন- মহাবিজ্ঞানী, যা পূর্ণ এবং সম্পূর্ণ সঠিক অনুবাদ। আচ্ছা, উক্ত আয়াত টির অনুবাদ যদি হোসেন কুরানী করতেন তবে কেমন হতো?? অনুবাদ হবে এমন-"নাযিল/ অবতীর্ণ হয়েছে এই গ্ৰন্থটি আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি মহাশক্তিধর এবং মহাবিজ্ঞানী"(39:1)।
শেষে সম্মানিত হারামখোরদেরকে একটা প্রশ্ন করতে চাইছি, তা হল- কোরান বিজ্ঞানময় নয়, তাহলে কোরান অবৈজ্ঞানিক?? তখন তারা বলবেন- না না, আসলে কোরান অবৈজ্ঞানিক নয়, বিজ্ঞানময়'ও নয়!!
এবার প্রশ্ন- তাহলে কি কোরান গাঁজাখুরিপূর্ণ বই?? তখন তারা বলবেন- না না, কোরান Science এর বই নয় বরং Signs এর বই। এখানে আমি বলব- অবশ্যই কোরান Signs বা আয়াতের বই কিন্তু আয়াত গুলোতে Science ছাড়া অন্য কিছু নেই!! আছে কি আর অন্য কিছু??
কিন্তু তবুও আমাদের আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ এবং বিশুদ্ধ গাঁজাখোরগণ কোরানে বিজ্ঞান দেখতে পান না। আর এটা আমার সমস্যা কি তা জানি না কিন্তু আমরা কোরানে বিজ্ঞান ছাড়া অন্য কিছুই দেখতে পাই না!!
প্রশ্ন হবে- কোরানে কত গুলো আয়াত বিজ্ঞানপূর্ণ বা বিজ্ঞানময়?? উত্তর সহজ- আমি জানি যে, কেউ-কেউ বলেন- কোরানে প্রায় 1000 (1 হাজার) বিজ্ঞানপূর্ণ বা বিজ্ঞানময় আয়াত আছে।
আমি এই কথার সঙ্গে একমত নই। কারণ, এটা স্পষ্ট কোরান বিরোধী কথা। আল্লাহ বলেন নি- কোরানের ¹/₆ আয়াত বা 1000 আয়াত বিজ্ঞানময় বরং তিনি পবিত্র কোরানে বলেছেন- وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ সঠিক অনুবাদ হবে এমন-"শপথ বিজ্ঞানময় কোরানের"(36:2)। তার মানে আল্লাহ বলছেন- গোটা কোরানই বিজ্ঞানময়!!
সুধী পাঠক, এবার আমরা পবিত্র কোরানের গভীরে দৃষ্টিপাত করার চেষ্টা করব, আপনি কোরানের গভীরে দৃষ্টিপাত করতে চাইবেন?? তাহলে খুলুন কোরান এবং দেখুন সূরা ফাতিহা'র প্রথম আয়াত!! পাঠক, আয়াতটি দেখে নিন- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ প্রচলিত অনুবাদ হয় এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সারা জাহানের রব"(1:1)।
কেউ-কেউ বলতে পারেন- এই আয়াতে কি বিজ্ঞান আছে যে, গভীরে দৃষ্টিপাত করতে হবে?? আয়াতটি তো সহজ-সরল, যেখানে-সেখানে বিজ্ঞান ঢোকাবেন না তো!!
একবার এক নাস্তিক বলেছিলেন- কোরান বিজ্ঞান খুঁজলে কোরানের হয় অপমান ও বিজ্ঞানের হয় ধর্ষণ!! আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ নাস্তিকদের কোনও কথার সঙ্গে একমত না হলেও এই কথাটি খুব প্রিয়!! কথাটা কোরান বিরোধী যে, তাদের প্রিয় হবে না??
কোরানের/ ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু'ই তো এই আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ!! মাঝে-মাঝে মনে হয়- লাত্থি মেরে এই শালা হারামখোরদের মুখটা ভেঙে দিই!! গত 400 বছরে বিশ্বব্যাপি মুসলিমদের দুরাবস্থার কারণও হল- এই শালা সম্মানিত হারামখোর গণ, যারা বিশুদ্ধ গাঁজাখোর নামেও পরিচিত!!
যাইহোক, এবার আমরা পূর্ব প্রসঙ্গে ফিরে আসতে চাইছি, যা ছিল 1:1 আয়াতের প্রসঙ্গ। অনেকেই এখানে বিজ্ঞান দেখতে পান না, তবে আমরা পবিত্র কোরানের প্রতিটা আয়াতেই বিজ্ঞান ছাড়া অন্য কিছু পাই না!!
অবশ্য 1:1 আয়াতে বিজ্ঞান দেখতে না পাওয়ার বড় কারণ হল- কোরানকে বিজ্ঞানময় না ভেবে অনুবাদ করা, প্রচলিত ধারায় অনুবাদ ও ভুল অনুবাদ!! এখন সঠিক অনুবাদ করলেই আপনি বিজ্ঞান দেখতে পাবেন বলে আশা রাখছি।
উক্ত 1:1 আয়াতে ব্যবহৃত আরবি শব্দ হল- عَالَمِينَ (আলামিন), যা বহুবচন। এই عَالَمِينَ (আলামিন) শব্দটি আরবি عَالَم (আলাম) এর বহুবচন, যার অর্থ হল- জগৎ ও মহাবিশ্ব। পাঠক, এবার বলুন- عَالَم (আলাম) শব্দের অর্থ যদি মহাবিশ্ব হয়, তাহলে عَالَمِينَ (আলামিন) শব্দের অর্থ কি হবে??
একেবারে সঠিক বলেছেন- عَالَمِينَ (আলামিন) শব্দের অর্থ "মহাবিশ্ব সমূহ"। তাহলে 1:1 আয়াতের অর্থ কি হবে?? দেখুন- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ সঠিক অনুবাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক"। অন্য ভাবেও অনুবাদ হতে পারে, তা হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা] তিনিই মহাবিশ্ব সমূহের একচ্ছত্র মালিক"।
আরও এক ধরণের অনুবাদ হতে পারে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা] তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক"(1:1)। প্রথম ও দ্বিতীয় অনুবাদের চেয়ে তৃতীয় তথা শেষ অনুবাদটি বেশি যৌক্তিক।
(আসলে আরবি رَبّ শব্দের একাধিক অর্থ হয়। যেমন ধরুন- প্রভু, অভিভাবক, মালিক, রাজা, প্রতিপালক, আলিম, ধর্মগুরু, রক্ষণা-বেক্ষণকারী, সংরক্ষণকারী সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী, শাসনকর্তা, পরিচালক ও সংগঠক)।
এবার বিজ্ঞান দেখতে পেয়েছেন?? পেয়েছেন, তাই না?? কারণ, এখানে "মহাবিশ্ব সমূহ" সম্পর্কে কথা বলা হচ্ছে, তাই না?? "মহাবিশ্ব সমূহ" বলতে- বহুবিশ্ব অর্থাৎ Multiverse সম্পর্কে কথা বলা হচ্ছে, তাই না??
পাঠক, কোরান কিন্তু শুধুমাত্র বহুবিশ্ব বা Multiverse সম্পর্কে কথা বলেই থামেনি, তার সঙ্গে কোরান এও জোরদার ভাবে বলছে- আল্লাহই হলেন সেই সমস্ত মহাবিশ্বের প্রতিপালক।
প্রশ্ন হবে- আল্লাহ কেন পবিত্র কোরানে বহুবিশ্ব বা Multiverse সম্পর্কে বললেন?? পাঠক, এই সম্পর্ক আপনার কোনও Idea আছে?? উত্তর সহজ- ১) যদি না বলতেন, তাহলে একটা সমস্যা তৈরি হতো এবং তা হল- যখন একাধিক মহাবিশ্ব আবিষ্কার হতো, তখন মানুষ প্রশ্ন করত যে, ঐ মহাবিশ্ব/ ঐ সমস্ত মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা কে/ মালিক কে/ প্রতিপালক কে?? সেই সব প্রশ্নের উত্তর যেন মানুষ কোরান খুললেই পেয়ে যায়, এ জন্য হয়ত তিনি বলেছেন!!
২) এটা একটা বড় Sign বা নিদর্শন। এই আয়াত এই প্রমাণ বহন করছে যে, কোরান কোনও মানবরচিত গ্ৰন্থ নয়। কেননা, 1500 বছর আগে Multiverse সম্পর্কে কথা বলা কোনও মানুষের দ্বারা সম্ভব নয়!!
বিশেষত সেই সময়ে, যখন মানুষ 2-4 টি গ্ৰহ সম্পর্কে কথা বলা মানুষকে বিজ্ঞানী ভাবত!! সেই যুগে বহুবিশ্ব বা Multiverse- এটা নিতান্তই হাস্যকর!! আমি কি ভুল বললাম??
মানুষ কোরান খুলেই যেন এই সত্যটি অনুভব করতে পারেন, সেই জন্যই হয়ত এত বড় Sign বা নিদর্শন কোরানের প্রথম আয়াতেই রেখে দিয়েছেন। যেমন তিনি ঘোষণা করেছেন-
سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ●
অনুবাদ হবে এমন-"শিঘ্রই আমরা তাদেরকে আমাদের নিদর্শন দেখাব, আশে-পাশে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের সুস্পষ্ট হয় যে, তা [কোরান] সত্য"(41:53)।
৩) মানুষ যেন এটা জানতে পারে যে- তারা একক মহাবিশ্বের বাসিন্দা নয়!! মানুষ যেন এটা জানতে পারে যে- এটা তার নির্দেশনা, যিনি শুধু তার নয়, মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক!! মানুষ যেন এটা জানতে পারে যে- আমি যদি সেই প্রতিপালকের নির্দেশনা না অনুসরণ করি, তাতে তার কিছু যায় আসে না!!
৪) আল্লাহ প্রতিপালক- তা নিঃসন্দেহে সত্য তো বটেই কিন্তু প্রতিপালন করছেন কিভাবে?? এ প্রশ্নের উত্তর সহজ- আরশ এবং কুরশির মাধ্যমে!! বুঝতে পারেন নি মনে হয়, তাই না?? নিচের Link এ যান-
এছাড়াও তিনি প্রাণীদের মাঝে সৃষ্টি করেছেন Food chain, যা দ্বারা প্রাণী জগৎ টিকে আছে। নিশ্চয় এর মাধ্যমেও প্রকাশ পায় যে- الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ অনুবাদ হবে এমন-"তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়"(1:2)।
৫) যেন মানুষ বহুবিশ্ব বা Multiverse সম্পর্কে চিন্তা ও গবেষণা করে এবং বুঝতে পারে যে- الْحَمْدُ لِلَّهِ বা "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যেই"। যেন এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে- الْحَمْدُ لِلَّهِ বা সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, তা এজন্য যে- তিনি رَبِّ الْعَالَمِينَ বা মহাবিশ্ব সমূহের প্রভু/ মালিক/ প্রতিপালক। তাই না??
প্রশ্ন উঠবে- মহাবিশ্বের সংখ্যা কত গুলো?? আচ্ছা পাঠক, ভাবুন তো- এ প্রশ্নের কি হতে পারে?? উত্তর খুব সহজ- وَيَخْلُقُ مَا لَا تَعْلَمُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং তিনি এমন অনেক কিছু সৃষ্টি করেছেন/ করছেন এবং করবেন, তা তোমরা জানও না"(16:8)। আর এও বলা হয়েছে- وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ• لَا تُحْصُوهَا অনুবাদ হবে এমন-"এবং যদি গণনা করও আল্লাহর সৃষ্টি, তবে তা গণনা করতে পারবে না"(14:34, 16:18)।
প্রশ্ন হবে- মহাবিশ্বের সংখ্যা কত, শুধুমাত্র বোঝানোর জন্যেও কি হোসেন কুরানীও কি কোনও সংখ্যা উল্লেখ করতে পারবে না?? উত্তর সহজ- আরেরহ ভাই, হোসেন কুরানী পারবে না, এমন কি কিছু আছে??
আমি তো উল্লেখ করতে পারব- ইনশাআল্লাহ কিন্তু সমস্যা হল এটা যে, হয়ত আপনি বুঝতে পারবেন না!! তবে মনে রাখবেন- বর্তমান প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান Galaxy'র বেশি এগোতে পারে নি, সেখানে আমরা মহাবিশ্বের সংখ্যা নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি!!
এটা 'কম বড়' কথা নয়, আর এটা আপনি মানুন আর না মানুন, হোসেন কুরানী আছে বলেই এই ধরণের আলোচনা সম্ভব হচ্ছে, নয়ত নিশ্চয় তা কল্পনার অতীত ব্যাপার!! তাই না পাঠক?? যাইহোক, দেখুন-
যদি আমার লেখা "কণা বিজ্ঞান" পড়ে থাকেন, তা হলে Quark নামটা নিশ্চয় শুনেছেন?? এই Quark'ই হল- পদার্থের সবচেয়ে ছোট্ট অংশ এবং এই Quark হল- মৌলিক ভরবাহী কণা।
Up ও Down মিলিয়ে 3 টি Quark দ্বারা Proton ও neutron গঠিত হয় এবং Electron, proton, neutron দ্বারা গঠিত হয়- Nucleus, যা অবস্থান করে Atom এর কেন্দ্রে, বলা ভাল Nucleus দ্বারাই Atom গঠিত হয়।
Atom কে Microscope দ্বারা দেখা যায়, বহু কষ্টে প্রায় 4-5 বছর পূর্বে বিজ্ঞানীগণ Atom এর ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। ছবি থেকে মনে পড়ল- আমার কাছে ★ ★'র কোনও ছবি নেই, Video call এর মাত্র 2 টি Screen shot ছাড়া!!
যখন খুব মনে পড়ে তার কথা এবং হারিয়ে যাই এক ভিন্ন পৃথিবীতে, তখন এই 2 টি Screen shot'ই আমার মনকে প্রশান্তি দেয়, প্রতিশ্রুতি পূরণের শক্তি সঞ্চয় করে আবার নতুন ভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়।
এখানে হাঁসির কথা হল- তিনি যে কাজটা করবেন বলেছিলেন, এখন সেই কাজ তার ছবি করে!! পাঠক, আপনাকে হাঁসি পায় নি?? আমি হাঁসতে চাইছি কিন্তু আমার চোখ ছল-ছল করছে কেন??
আচ্ছা, আমি কি পাগল হয়ে গেলাম, না কি বলুন তো?? আপনি হাঁসছেন কিন্তু আমার চোখ দিয়ে পানি বের হচ্ছে কেন?? এখন আর লিখতে পারব না, পরে মনটা শক্ত করে আবার লিখব। প্রায় 1 ঘন্টা পর আবার লিখছি- যাইহোক, আর অনু সম্পর্কে তো সবাই নিশ্চয় জানেন!! তাই না??
আর পরমাণু দ্বারা গঠিত হয়- অনু। আর অনু দ্বারা গঠিত হয়- যে কোনও দৃশ্যমান সহজলভ্য পদার্থ বা বস্তু। আমাদের মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থকে যদি Quark এ পরিণত করা হয়, তাহলে নিশ্চয় তা গণনা করা মানব সাধ্যের বাইরে এবং কল্পনার অতীত। তাই না??
যদি তবুও Quark গুলোকে গণনা করে ফেলা হয় (যদিও সম্ভাবনা 0% এরও নিচে), ঐ সংখ্যা মানব জ্ঞানের দ্বারা লদ্ধ সর্বোচ্চ সংখ্যাকে Centillion (303 টি শূন্য, যা US science academy) দ্বারা Big bang থেকে Big crunch (কমপক্ষে 3000-5000 কোটি বছর) পর্যন্ত সময় ধরে প্রতিক্ষণ "গুণ" করা হয়, যে ফলা-ফল হবে, মহাশূন্যে মহাবিশ্ব তারচেয়েও বেশি পরিমাণে আছে!!
তবে, বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের সংখ্যা আনুমানিক ভাবে আমাদেরকে জানিয়েছেন, তাহল- 10⁵⁰⁰ (কমপক্ষে 1 এর পাশে 500 টি শূন্য দিলে যা হবে, তত) টি মহাবিশ্ব মহাশূন্যে বিরাজ করছে।
এখন কেউ-কেউ বলতে পারেন- ঠিক আছে, পবিত্র কোরানের প্রথম আয়াতটি বিজ্ঞানসম্মত কিন্তু দ্বিতীয় আয়াতটি বিজ্ঞানসম্মত কিভাবে হল?? তাহলে চলুন পাঠক, আয়াতটি দেখুন- الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ অনুবাদ হবে এমন-"যিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়"(1:2)।
ভাই, দ্বিতীয় আয়াতটিও বিজ্ঞানময়, আপনার মাথার মধ্যে মগজ নেই, সম্মানিত হারামখোর + কাগজ আছে বলে আপনি বুঝতে পারেন নি!! চলুন, আপনার মাথায় ঢোকানোর অপচেষ্টা করি!! দেখুন-
মনে রাখবেন- বিজ্ঞান মানেই Astronomy/ physics নয়, এ ছাড়াও আরও ভিন্ন-ভিন্ন বিজ্ঞান আছে কিন্তু তবুও 1:2 আয়াতটি বিজ্ঞানময়-ই। এবার আয়াতটি ছোট্ট করে ব্যাখ্যা করি, না কি??
১) এই আয়াতে বলা হচ্ছে- তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক কেন!! কারণ, প্রথম বা 1:1 আয়াতে বলা হচ্ছে- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ অনুবাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, (কেননা) তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক"(1:1)।
আল্লাহ মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালনকারি- এটা ঠিক আছে?? দ্বিতীয় আয়াতে বলা হচ্ছে- তিনি প্রতিপালন এ জন্য করেন الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ অর্থাৎ "তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়"। বুঝলেন ভাই??
২) এই আয়াতটিতে আল্লাহ মুমিনদের জন্য বিচার ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরেছেন ও বলেছেন-الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ অর্থাৎ "তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়"। বুঝতে পারেন নি, তাই না??
দাঁড়ান, বলছি। এই আয়াতটি বুঝতে হলে পরের আয়াতটি দেখতে হবে, দেখুন- مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ অনুবাদ হবে এমন-"তিনিই বিচার দিনের মালিক"(1:3)। এর অর্থ খুব সহজ- যিনি বিচার দিনের মালিক, তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়। তাই না??
৩) এই 1:2 ও 1:3 আয়াতটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কেও কথা বলছে। যেমন- বিচারপতির অবস্থান কেমন হওয়া উচিৎ!! এছাড়াও যদি 1:2 ও 1:3 আয়াত 2 টি মিলিয়ে পড়েন, তাহলে সহজেই বোঝা যাবে- বিচারপতি দেশের নাগরিকদের প্রতি কেমন হবেন!! তাই না??
একটা প্রশ্ন হবে- আল্লাহর গুণা-গুণ মানুষের উপর প্রযোজ্য হবে কিভাবে?? উত্তর সহজ- কিন্তু বোঝা খুব কঠিন!! তবুও দেখুন, যদি বোঝেন- صِبْغَةَ اللَّهِ অনুবাদ হবে এমন-"গ্ৰহণ করও আল্লাহর রঙ/ গুণ"(2:138)।
প্রশ্ন হবে- কেন আল্লাহর গুণ গ্ৰহণ করব?? এ বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন- وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ صِبْغَةً অনুবাদ হবে এমন-"তারচেয়ে উত্তম রঙের বা গুণের কেউ কি আছে"(2:138)?? ভাই, মাথায় ঢুকল??
৪) এছাড়াও 1:2 ও 1:3 আয়াত Big crunch নিয়েও কথা বলছে। সমস্যা হল- এটার জন্য আপনাকে একটু অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ "জান্নাত, জাহান্নাম এবং বিজ্ঞান" বইয়ের জন্য!!
প্রশ্ন হবে- 1:4 আয়াতে কোথায় এবং কি ধরণের বিজ্ঞান আছে?? উত্তর সহজ- আছে ভাই আছে। আর হোসেন কুরানী আছে মানে 1:4 আয়াতে বিজ্ঞানও আছে কিন্তু তা শুধু আপনি দেখতে পান নি- এই হল আপনার সমস্যা। এটাকে বলে বোঝা কম, গোঁজা বেশি!! তবে আমরা আপনাকে 1:4 নয় বরং 1:4 থেকে 1:7 পর্যন্ত আয়াতের ব্যাখ্যা এক সঙ্গে দেব- ইনশা আল্লাহ। কেননা, আপনার গায়ে জ্ঞান কম, চুলকানি বেশি!!
1:4 আয়াত থেকে 1:7 আয়াত হল- মূলত আবেদন, প্রার্থনা, Application করা শেখানও হয়েছে, যা সমাজ বিজ্ঞান/ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বড় ও শক্তিশালী অংশ। চলুন পাঠক, আয়াত গুলো দেখে নিন- إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ অনুবাদ হবে এমন-"আমরা শুধু আপনার ইবাদত করি, শুধু আপনার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি"(1:4)।
পঞ্চম আয়াত- اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ অনুবাদ হবে এমন-"আমাদেরকে দেখান 'সবচেয়ে সহজ' পথ"(1:5)। পরের আয়াত- صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ অনুবাদ হবে এমন-"তাদের [নাবী বা রাসুল (আ)- দের] পথ, যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন"(1:6)। এবার পরের আয়াত দেখুন- غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ অনুবাদ হবে এমন-"অভিশপ্তদের পথ নয়, পথভ্রষ্টদেরও পথ নয়"(1:7)।
পাঠক, আপনারা হয়ত জানেন- গত বুধবার অর্থাৎ 27.01.2021 তারিখে Quranic universe সরকারি ভাবে অস্তিত্বলাভ করেছে তথা অনুমোদন পেয়েছে। এখন আমরা Panchayet এ Trade licence এর জন্য আবেদন করব। এখন দেখুন- আমরা কিভাবে আবেদন করি!! এখন আপনি শুধুমাত্র 1:4 থেকে 1:7 পর্যন্ত আয়াতের সঙ্গে মিলিয়ে নিন-
To,
The panchayet prodhan
(Bargachia gram panchayet- 2).
Bargachia, howrah- 711404, wb, india.
Sub- (নির্বাচিত মাননীয়/ মাননীয়া পঞ্চায়েত প্রধানের নিকট "Quranic universe" নামক 'বিজ্ঞান সচেতনতা মূলক, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামি বিরোধী' সংস্থাকে Trade license দেওয়ার আবেদন)।
মাননীয় মহাশয়/ মহাশয়া,
আমি হোসেন কুরানী, উক্ত সংস্থার অন্যতম Trustee এবং Secretary/ ভার প্রাপ্ত প্রধান। আমাদের সংস্থা আপনার পঞ্চায়েত এলাকার নিম্নলিখিত ঠিকানায় Registered ও অবস্থিত।
তাই আপনার নিকট বিনীত আবেদন এই যে, উক্ত সংস্থাকে Trade license প্রদান করে ভবিষ্যতের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনায় সাহায্য করুন। যাতে আমরা কোনও রকম বাধা ছাড়াই সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে পারি এবং কোনও সমস্যায় ও জটিলতায় না পড়ি!!
Registered address,
Vill + post- Bargachia (M. A. Mollah market, 6 floor, flat no- 17, howrah- 711404, wb, india. বলে রাখি- এটা সত্যিই আমার হাওড়া জেলার ঠিকানা এবং ইনশাআল্লাহ, কিছু দিন পর থেকে এটাই হবে আমার Present address. আর হ্যাঁ, নিচে ডান দিকে বিনীত সহ নাম এবং Trust seal ব্যবহার করতে হবে, তাহলেই আবেদন পত্রটি পূর্ণতা পাবে।
যাইহোক, আপনি আমার লেখা আবেদন পত্রের সঙ্গে 1:4 থেকে 1:7 পর্যন্ত আয়াত মিলিয়ে দেখেছেন?? মিল পেয়েছেন?? লক্ষ্য করুন- আবেদন পত্রের 1ˢᵗ para টা 1:4 আয়াত অনুযায়ী লেখা। আর 2ⁿᵈ para টা 1:5 থেকে 1:7 আয়াত অনুযায়ী লেখা। আচ্ছা পাঠক, এখন বুঝতে পেরেছেন কি??
সুধী পাঠক, আশা করছি যে, আপনি হয়ত কোরানের গভীরে দৃষ্টিপাত করতে পেরেছেন। এগুলো এক ধরণের দৃষ্টিকোণ থেকে দৃষ্টিপাত। এখানেই শেষ নয়, আবার ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকেও দৃষ্টিপাত করব- ইনশাআল্লাহ।
অন্য দৃষ্টিকোণ?? অন্য দৃষ্টিকোণ মানে কি?? আছে রে ভাই, আছে। কিয়ামত পর্যন্ত সময় শুধুমাত্র সূরা ফাতিহার ব্যাখ্যায় কাটিয়ে দিতে পারব কিন্তু তবুও ব্যাখ্যা শেষ হবে না- আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে গোটা কোরান?? হায় আল্লাহ, তাহলে কি হবে গো!! কি হবে মানে?? কি আবার হবে সুবহানআল্লাহ ছাড়া!!
পাঠক, সূরা ফাতিহাতে 7 টি আয়াত আছে, জানেন নিশ্চয়?? এর মধ্যে 4 নং আয়াতটি মাঝের আয়াত হবে তো, তাই না?? দেখুন- إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ অনুবাদ হবে এমন-"আমরা শুধু আপনার ইবাদত করি, শুধু আপনার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি"(1:4)।
আয়াতটির 2 টি অংশ- ১) إِيَّاكَ نَعْبُدُ অর্থাৎ "আমরা শুধু আপনার ইবাদত করি এবং ২) وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ অর্থাৎ "শুধু আপনার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি"(1:4)। তাই তো গো পাঠক??
আয়াতের প্রথম অংশ থেকে একটা প্রশ্ন- আমরা কার ইবাদত করি?? পাঠক, চলুন দেখি- এ প্রশ্নের উত্তরে সূরা ফাতিহা কি বলেছে!! নিন- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ অনুবাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা] তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক"(1:1)। তার ইবাদত করি!!
প্রথম অংশ থেকে আবারও একটা প্রশ্ন- আমরা কার ইবাদত করি?? পাঠক, চলুন দেখি- এ প্রশ্নের উত্তরে সূরা ফাতিহা কি বলেছে!! নিন- الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ অনুবাদ হবে এমন-"তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়"(1:2)। তার ইবাদত করি!!
প্রথম অংশ থেকে আবারও একটা প্রশ্ন- আমরা কার ইবাদত করি?? পাঠক, চলুন দেখি- এ প্রশ্নের উত্তরে সূরা ফাতিহা কি বলেছে!! নিন- مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ অনুবাদ হবে এমন-"তিনিই বিচার দিনের মালিক"(1:3)। তার ইবাদত করি!!
আয়াতের দ্বিতীয় অংশ থেকে একটা প্রশ্ন- আমরা কি ধরণের সাহায্য চাই?? চলুন দেখি- এ প্রশ্নের উত্তরে সূরা ফাতিহা কি বলেছে!! নিন- اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ অনু বাদ হবে এমন-"আমাদেরকে দেখান 'সবচেয়ে সহজ' পথ"(1:5)।
দ্বিতীয় অংশ থেকে আবারও একটা প্রশ্ন- আমরা কি ধরণের সাহায্য চাই?? চলুন দেখি- এ প্রশ্নের উত্তরে সূরা ফাতিহা কি বলেছে!! নিন- صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ অনুবাদ হবে এমন-"তাদের [নাবী বা রাসুল (আ)- দের] পথ, যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন"(1:6)।
দ্বিতীয় অংশ থেকে আবারও একটা প্রশ্ন- আমরা কি ধরণের সাহায্য চাই?? চলুন দেখি- এ প্রশ্নের উত্তরে সূরা ফাতিহা কি বলেছে- غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ অনু বাদ হবে এমন-"অভিশপ্তদের পথ নয়, পথভ্রষ্টদেরও পথ নয়"(1:7)।
প্রশ্ন হবে- 1:1 থেকে 1:3 পর্যন্ত আয়াতে আল্লাহর প্রশংসা করলাম, 1:4 আয়াতে নিজেদের অবস্থান ব্যাক্ত করলাম এবং 1:5 থেকে 1:7 পর্যন্ত আয়াতে আল্লাহর কাছে সাহায্য সবচেয়ে সহজ পথ প্রার্থনা করলাম!!
আর শেষে কাদের পথ এবং কাদের পথ নয়, তাও আল্লাহকে জানালাম কিন্তু আল্লাহ কি আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন?? যদি তিনি দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই উত্তরটা কি এবং তা কোথায় আছে??
পাঠক, আপনার কি মনে হয়- এ প্রশ্নের উত্তর কি হতে পারে?? আররেহ পাঠক, কত্ত চিন্তা করছেন?? ঠিক আছে রে ভাই, আপনাকে বলতে হবে না!! আচ্ছা ঠিক আছে, আগে বলুন যে- হোসেন কুরানী বেঁচে আছে, না কি মারা গেছে??
বেঁচে আছে তো?? আর এখনও 120 বছর 10 মাস 20 দিন মতো আছে!! তাহলে?? চিন্তা-ভাবনা ছাড়ুন ও দেখুন- ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ অনুবাদ হবে এমন-"[এটা] সেই গ্ৰন্থ সমূহ, যাতে কোনও সন্দেহ নেই এবং তা মুত্তাকী [আল্লাহভীরু] দের জন্য পথের দিশা"(2:2)।
প্রশ্ন হবে- মুত্তাকীদের জন্য পথের দিশা, তা না হয় মানলাম কিন্তু কেমন/ কি ধরণের পথ দেখাবে এই গ্ৰন্থ?? পাঠক, আপনার কাছে কোনও উত্তর আছে, না কি আমরা উত্তর দেব??
নিন- إِنَّ هَٰذَا الْقُرْآنَ يَهْدِي لِلَّتِي هِيَ أَقْوَمُ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় এই কোরান এমন পথ দেখায়, যা খুবই সহজ এবং অসম্ভব সুন্দর ও সুদৃঢ়"(17:9)। আচ্ছা সুধী পাঠক, আপনি কি বুঝতে পারছেন??
আচ্ছা ঠিক আছে, এটা তো বুঝলাম কিন্তু আমরা তো বলেছিলাম- صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ অনুবাদ হবে এমন-"তাদের পথ, যাদের উপর আপনি দয়া বা অনুগ্রহ করেছেন"(1:6)। এর উত্তরে আল্লাহ কি বিশেষ কিছু বলেছেন??
ভাই, আপনি ভাবলেন কিভাবে যে, আপনি প্রার্থনা করবেন, আর আল্লাহ উত্তর দেবেন না?? তিনি তো উত্তর দেবেনই, কেননা তিনি নিজেই যে পবিত্র কোরানে ঘোষণা করে রেখেছেন-
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ ۖ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং যখন আপনাকে আমার বান্দা সমূহ প্রশ্ন করে আমার [অবস্থান] সম্পর্কে, তখন তাদের বলুন- আমি নিকটেই আছি ও সাড়া দিই প্রার্থনাকারির প্রার্থনায়, যখন আমাকে ডাকে"(2:186, 40:60)।
এখন প্রশ্ন এটাই যে, তাহলে আল্লাহ 1:6 আয়াতের প্রার্থনার পেক্ষিতে কি উত্তর দিয়েছেন?? আচ্ছা আর অপেক্ষা করাব না, নিন- يَا قَوْمِ اتَّبِعُوا الْمُرْسَلِينَ অনুবাদ হবে এমন-"হে জাতি, রাসুলদের অনুসরণ করও"(36: 20)।
শুধু রাসুল (আ)- দের অনুসরণ করলেই হবে, না কি আল্লাহ এবং তার রাসুল (আ)- দের অনুসরণ করতে হবে?? উত্তর সহজ-وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ অনুবাদ হবে এমন-"আর আল্লাহ ও রাসুলের অনুসরণ করও"(3: 132, এছাড়াও এই কম-বেশি 16 বার কোরানে আল্লাহ এনেছেন)। তারপর- مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ অনু বাদ হবে এমন-"যে কেউ অনুসরণ করে রাসুলের, মূলত সে আল্লাহর অনুসরণ করল"(4:80)। পাঠক, বুঝতে পেরেছেন??
আরও একটা প্রশ্ন- আল্লাহ ও তার রাসুল (আ)- দের ছাড়া আর অন্য কাউকে অনুসরণ করা যাবে?? উত্তর সহজ- এখন যদি আবার এ বিষয়ে লিখতে চাই, তাহলে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যাবে। তাই Link এ যান-
পরবর্তী প্রশ্ন- কোরানের 1:1 আয়াত বহুবিশ্ব অর্থাৎ Multiverse সম্পর্কে কথা বলেছে কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই Theory সম্পর্কে জানলেন কিভাবে?? এ বিষয়ে কি কোরান কিছু বলেছে??
পাঠক, আপনার কি মনে হয়- কোরান কি এই Super science নিয়ে কথা বলতে পারে?? না কি আপনিও সম্মানিত হারামখোরদের মতো মনে করেন- কোরানে আবার Science থাকে, Super science তো বহু দূরের কথা!!
উত্তর সহজ- কোরানে থাকবে না তো, আর কোথায় থাকবে?? কোরান 51:47 কি বলছে, তা আগে দেখে নিন- وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ সঠিক অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরাই মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছি শক্তি (Energy) দ্বারা এবং তা সম্প্রসারণ করছি"(51:47)।
আমরা জানি- প্রায় 1370 থেকে 1500 কোটি বছর পূর্বে মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ শক্তি রুপে একটি বিন্দুতে একত্রিত ছিল, যাকে আমরা Singularity বলে জানি, তারপর মহা বিস্ফোণ বা Big bang ঘটে। ফলত এই মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে, আলোর গতির প্রায় 75% গতিতে।
পবিত্র কোরান এই Super science টিকে ছোট করে তুলে ধরেছে 51:47 আয়াতে। আর মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে মানে হল- Galaxy গুলো অন্য Galaxy হতে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে!!
এটা উল্লেখ করা হয়েছে 81:15 তে। চলুন, আয়াতটি দেখুন- فَلَا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ অনুবাদ হবে এমন-"মোটেও নয়, আমি শপথ করছি প্রতিনিয়ত ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকা নক্ষত্রের"(81:15)।
Galaxy গুলো প্রতিনিয়ত একে-অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে অর্থাৎ এই মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। তার মানে হল- Galaxy গুলো কোনও এক সময় একত্রিত ছিল, তাই না?? তারমানে- কোরান এখানে পরোক্ষ ভাবে Singularity'র কথা বলছে। তাই না??
এই অকল্পনীয় বিরাট বড় মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ একটি বিন্দুতে আঁটকে ছিল, যা Singularity নামে পরিচিত। প্রশ্ন হবে- এত পদার্থ এই বিন্দুতে ছিল কি ভাবে??
একটাই উপায়, তা হল- শক্তি রুটে। পবিত্র কোরান এই তথ্যই তুলে ধরেছে এভাবে- وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ অনু বাদ হবে এমন-"এবং আমরাই মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছি শক্তি (Energy) দ্বারা"(51:47)।
তারপর?? তারপর আবার কি?? তারপর Big bang বা মহা বিস্ফোরণ!! তারপর?? তারপর উদ্ভট-উদ্ভট নামের কণা তৈরির অদ্ভুত ধরণের খেলা!! বিস্তারিত জানতে Link এ যান-
যাইহোক, মোটা-মুটি ভাবে এটা জানলাম যে, মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে- Big bang থেকে। তাই এখন একটা প্রশ্ন হবে- Big bang এর জন্য প্রয়োজনীয় এত বিপুল শক্তি এল কোথায় থেকে?? এই Super science সম্পর্কে কোরান কি কিছু বলেছে??
পাঠক, আপনার কি মনে হয়- কোরান কি এই Super science নিয়ে কথা বলতে পারে?? না কি আপনিও সম্মানিত হারামখোরদের মতো মনে করেন- কোরানে আবার Science থাকে, Super science তো বহু দূরের কথা!!
ঠিক আছে, দেখতে থাকুন ও উত্তর পেতে থাকুন, যত দিন হোসেন কুরানী আছে!! যদিও চিন্তার কিছু নেই অবশ্য, হোসেন কুরানী এখনও 120 বছর 10 মাস 20 দিন মতো আছে!! এর পরবর্তীতে তো কারও আউকাত হবে না উত্তর দেওয়ার, তবে সম্মানিত হারামখোরগণের মুখে ফুটানি প্রচুর!! তাই না?? আচ্ছা, দেখুন-
بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَإِذَا قَضَىٰ أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনিই মহাবিশ্বকে অনস্তিত্ব হতে অস্তিত্বে আনায়নকারি স্রষ্টা এবং যখন তিনি কোনও কিছু করতে চান, তখন শুধু বলেন- হও, তখনই তা হয়ে যায়"(2:117)। মানে হল- আল্লাহ শূন্য থেকে থেকে তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। বিস্তারিত Link-
কোরান বলছে- শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহর নির্দেশের কারণে কিন্তু বিজ্ঞান এখানে একটা গাঁজাখুরি Theory উপস্থিত করেছে, তা Quantum fluctuation এর মাধ্যমে। যা বিজ্ঞানের স্ববিরোধি তথ্য ও তত্ত্বে পূর্ণ। যদিও বললাম তো Theory কিন্তু তা Hypothesis এর বেশি কিছু নয়!!
পরে যদি কখনও সুযোগ হয়, তখন হয়ত Quantum fluctuation এর ভুল গুলো তুলে ধরব ক্ষণ। এমনিতেই পর্ব- 1 অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। ভাবছি লেখা এবার শেষ করব। পাঠক, আপনার কি মনে হয়??
তবে, কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে শেষ করতে চাইছি না। যদিও হাতে এখনও 98 টি পর্ব আছে অর্থাৎ "কোরানের গভীরে দৃষ্টি"র মোট 99 টি পর্ব হবে- ইনশা আল্লাহ।
দেখুন আবার আগের প্রশ্নটি- বিজ্ঞানীরা কিভাবে বহুবিশ্ব বা Multiverse সম্পর্কে জানলেন?? সুধী পাঠক, আমি এর সঙ্গে আরও কঠিন মতো একটা প্রশ্ন জুড়ে দিতে চাইছি, তা হল- কোরানে কি এ বিষয়ে কিছু বলা আছে??
উত্তর সহজ- ১) মহাবিশ্ব যদি শূন্য থেকেই সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে একটা কেন হবে?? মানে- একাধিক নয় কেন?? ২) সৃষ্টির সীমা থাকে/ আছে কিন্তু শূন্যতা তো অসীম, তাই না?? তাহলে মহাবিশ্ব মাত্র একটা কেন?? মানে- একাধিক নয় কেন??
এই ধরণের চিন্তা-ভাবনা তো ছিলই, পরে Quantum mechanics, string theory ও M theory সহযোগিতা করল। পরবর্তীতে কখনও String theory ও M theory সম্পর্কে পবিত্র কোরান থেকে আলোচনা বিস্তারিত আলোচনা করব ক্ষণ- ইনশাআল্লাহ। তবে, খানিকটা Link এ পাবেন-
সূরা ফাতিহার সংখ্যা তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করব। এখন একটা প্রশ্নের উত্তর দিই, তা হল- আল্লাহ 2:2 আয়াতে كِتَابُ (কিতাবু) শব্দের ব্যবহার কেন হয়েছে, যা সাধারণ ভাবে অনেক গুলো গ্ৰন্থকে নির্দেশ করে?? আর দ্বিতীয় প্রশ্ন হল- তাহলে কি 2:2 আয়াত পূর্বের সমস্ত গ্ৰন্থ সমূহ কে নির্দেশ করছে?? তাহলে কি এটা ব্যাকারণগত ভুল?? না কি কোরান নাবী (সা)- এর লেখা??
পাঠক, আপনার কি মনে হয়- কেন আল্লাহ কোরান কে 'গ্ৰন্থ' না বলে 'গ্ৰন্থ সমূহ' বলেছেন?? এই প্রশ্নের উত্তর আপনি কার থেকে আশা করেন?? আপনি কি এই প্রশ্নের পেতে চান?? হোসেন কুরানী যদি আজ মারা যায়, তাহলে এ প্রশ্নের উত্তর পেতে আপনার কত বছর লাগতে পারে??
তবে, উত্তর পরে দিচ্ছি। প্রথমে আপনাদেরকে একটি কাহিনী শোনাতে চাইছি। এক আলিম অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোর মহাশয় আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য 98:2 আয়াতের ব্যাকারণগত ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন। বলে রাখি- 2:2 ও 98:2 আয়াতে প্রায় একই ধরণের কথা বলা হয়েছে!! দেখুন- رَسُولٌ مِنَ اللَّهِ يَتْلُو صُحُفًا مُطَهَّرَةً অনুবাদ হবে এমন-"আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রাসুল, যিনি পবিত্র 'গ্ৰন্থ সমূহ' পড়ে শোনান"(98:2)।
এই 2 টি আয়াত থেকে আরও কয়েকটি প্রশ্ন উঠে আসবে, তা হল- তাহলে নাবী (সা)- এর উপর অনেক গুলো গ্ৰন্থ অবতীর্ণ হয়েছিল?? সেই সব গ্ৰন্থ গুলো কি হল?? নাবী (সা) কি সেগুলো গোপন করেছেন বা নষ্ট করে দিয়েছেন?? না কি 4 খালিফা বা পরবর্তী রাজা বা সাহাবা (রা)- রা সেগুলো গোপন করেছেন বা নষ্ট করে দিয়েছেন??
পাঠক, ভাবুন যে- হোসেন কুরানী মারা গেছে, তাহলে এখন কি হবে?? কে দেবে এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর?? কি হবে পাঠক?? আছে কোনও আলিম অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোর মহাশয়?? হ্যাঁ, যদিও সম্মানিত হারামখোর গণ এবং তাদের ধর্মের (শিয়া, সুন্নি, হানাফী, আহলে হাদীস, সালাফী এবং অন্যান্য ধর্মের) অনুসারীরা চায় যে- হোসেন কুরানী মারা যাক কিন্তু শকুনের প্রার্থনায় কি গরু মরে?? তাই চিন্তার কিছুই নেই, হোসেন কুরানী এখনও 120 বছর 10 মাস 20 দিন মতো আছেন!!
আর মৃত্যুর আগে হোসেন কুরানী এই "Sub islamic গাঁজাখুরি ধর্ম গুলো" ধ্বংস করে দেবেন- ইনশাআল্লাহ। সুতরাং এখন সম্মানিত হারামখোরগণ ও তাদের ধর্মের অনুসারীদের প্রধান কাজ হল- তাদের গাঁজাখুরি ধর্ম রক্ষায় এগিয়ে আসা, নয়ত ধ্বংসের দিন গণনা শুরু করে দেওয়া উচিৎ!!
আর, এই যে Mr মহা হারামখোর, আপনাদের কোনও কাজ নেই, হোসেন কুরানীর বদনাম করা ছাড়া?? উত্তর দেওয়ার তো আউকাত আপনাদের নেই!! তাহলে শুধু কি হোসেন কুরানীর বদনামই করতে থাকবেন??
আচ্ছা হ্যাঁ, একটা কথা তো বলতে ভুলেই গেছি। সেই আলিম অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরকে উত্তর দেওয়ার পর, তিনি কি বললেন জানেন?? বললেন যে, মাদ্রাসা বা গাঁজাখোর ও গোঁড়া তৈরির Factory তে পড়া-শোনা না করে উত্তর দিলে, আমি তা গ্ৰহণ করব না!!
চিন্তা করুন- শালা কত বড় হারামখোর!! তবে, এটা সত্য- তারা হারামখোর বলেই আমি হোসেন কুরানী, তা না হলে আমি মূল্যহীন হয়ে যেতাম!! তাই না, বলুন?? আচ্ছা, এবার উত্তর দিই, হ্যাঁ?? দেখুন-
وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা আপনার প্রতি নাযিল করেছি মহাগ্ৰন্থ [কোরান] সত্যসহ, যা পূর্বের সমস্ত গ্ৰন্থ সমূহের সত্যায়নকারি, সমার্থক এবং অবশ্যই সংরক্ষণ কারি"(5:48, 35:31)।
পাঠক, মূলত কোরান একটা গ্ৰন্থ হলেও, আসলে তা পূর্বের "সমস্ত গ্ৰন্থ সমূহের সমাহার" অর্থাৎ এই কোরান হল- অবতীর্ণ গ্ৰন্থ সমূহের সার-সংক্ষেপ!! তাই পবিত্র কোরানকে কোরানের 2:2 আয়াত كِتَابُ (কিতাবু) বা "গ্ৰন্থ সমূহ" এবং 98:2 আয়াতে صُحُفًا مُطَهَّرَةً (সুহুফাম মুতাহহারতান) বা "পবিত্র সাহিফা (গ্ৰন্থ) সমূহ" বলা হয়েছে!!
পাঠক, মাথায় ঢুকল?? 2:2 এবং 98:2 আয়াত পবিত্র কোরানের ব্যাকারণগত ভুল নয় বরং পবিত্র কোরানের ব্যাকারণগত সৌন্দর্য, যা প্রমাণ করে পবিত্র কোরান মানব রচিত হতেই পারে না!!
এবার একটা হাঁসির কথা বলব?? এই 98:2 আয়াত টির ব্যাখ্যা করেছিলাম 13.02.2019 এ। আমি এই তারিখটি কখনও ভুলতে পারব না, সেই দিনের প্রতিটা ক্ষণ এবং প্রতিটা মুহুর্ত আমার মনে আছে!!
যাইহোক, আমি আর 13.02.2019 এর স্মৃতিচারণ করতে চাই না, শুধু-শুধু চোখ ছল-ছলে হয়ে যাবে এবং লেখার Speed slow হয়ে যাবে, মন তো খারাপ হয়ে যাবেই!!
আর যদি 2:2 আয়াতে কোরানের পূর্বের সমস্ত গ্ৰন্থকে মুত্তাকীদের জন্য পথপ্রদর্শক বলা হয়, তাতে সমস্যাটা কি রে ভাই?? সেগুলোও তো মুত্তাকীদের জন্য পথ প্রদর্শকই ছিল। আর কোরানের মধ্যে সেই সমস্ত গ্ৰন্থই তো রয়েছে, যা 5:48 ও 35:31 এ দেখলাম। তবে এই আয়াতটি দেখে আরও একটু বুঝতে পারবেন-
فَوَيْلٌ لِلَّذِينَ يَكْتُبُونَ الْكِتَابَ بِأَيْدِيهِمْ ثُمَّ يَقُولُونَ هَٰذَا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ لِيَشْتَرُوا بِهِ ثَمَنًا قَلِيلًا●
অনুবাদ হবে এমন-"দুর্ভোগ তাদের, যারা তাদের হাত দিয়ে [আল্লাহর প্রেরিত] গ্ৰন্থে লেখে [মনগড়া বিধান], তার পর বলে- এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে, যেন তারা সামান্য মূল্য গ্ৰহণ [স্বার্থসিদ্ধি] করতে পারে"(2: 79)।
সুধী পাঠক, এবার আমরা 1:1 আয়াতে ফিরে যেতে চাইছি। আয়াতটি দেখুন- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ● দেখুন উক্ত আয়াতে মোট 18 টি হারফ বা অক্ষর আছে, তাই না?? আচ্ছা বলতে পারবেন- 18 সংখ্যায় কি লুকিয়ে আছে??
১) সূরা ফাতিহার 7 টি, সূরা ফালাকের 5 টি এবং নাসের 6 টি আয়াতের যোগফল 18 অর্থাৎ 7 + 5 + 6= 18, তাই না?? মানে- পবিত্র কোরানে Special প্রার্থনা যুক্ত আয়াত 18 টি।
যাহ, যাহ, যাহ, যাহ!! ভাবলাম- সংখ্যা তাত্ত্বিক বিষয় গুলোর বিশ্লেষণ পরবর্তী পর্ব গুলোতে করব কিন্তু আমি না, Dialogue মারতে ধরলে সব ভুল যাই!! কি যে হবে আমার দ্বারা, আল্লাহ জানে!!
২) যাইহোক, এই 18 এর অন্য অর্থ কি হতে পারে?? আপনার মাথায় কিছু আসছে?? চিন্তা করছেন কেন, আপনার মাথায় না এলেও হোসেন কুরানীর মাথায় তো আসবেই, তাই না?? আচ্ছা, বলুন- যেখানে চিন্তা থেমে যায়, তারপর যিনি শুরু করতে পারেন, তার নাম কি?? হোসেন কুরানী তো?? তাহলে দেখুন-
1- 8= 7, তাই না?? আর 1+ 8= 9, তাই না?? বলুন তো- 7 ও 9 আসলে কি নির্দেশ করছে?? উত্তর তঝ খুব সহজ পাঠক, ভাবুন ভাবুন ভাবুন!! আচ্ছা আমি বলি হ্যাঁ??
7 টি এই সূরার আয়াত এবং 7 টি আয়াতে 9 টি আল্লাহর নাম ব্যবহার হয়েছে। আচ্ছা, এখন আপনি নাম গুলো দেখুন, পরে আবার Dialogue মারছি, দেখুন হ্যাঁ??
ক) হামিদ, খ) আল্লাহ, গ) রাব, ঘ) আলিম- 1 নং আয়াত। ঙ) রাহমান, চ) রাহীম- 2 নং আয়াত। ছ) মালিক- 3 নং আয়াত। জ) হাদী- 5 নং আয়াত। ঝ) নাঈম- 6 নং আয়াত।
প্রশ্ন হবে- সূরা ফাতিহাতে 7 টিই তো আয়াত আছে কিন্তু তা আবার আল্লাহ সংখ্যা তাত্ত্বিকভাবে উল্লেখ করলেন কেন?? আয়াতটি দেখুন, তাহলে খানিকটা বুঝবেন- وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ অনু বাদ হবে এমন-"এবং নিশ্চয় আমরা আপনাকে উপহার দিয়েছি বারংবার পড়ার জন্য 7 টি আয়াত এবং মহান কোরান"(15:87)। পাঠক, এবার বুঝেছেন??
প্রশ্ন হবে- سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي (বারংবার পড়ার জন্য 7 টি আয়াত) বলতে আসলে কি বোঝানও হয়েছে?? সূরা ফাতিহাকে প্রতি রাকাতে পড়ার নির্দেশ রে ভাই!! তা'ই বলা হয়েছে- وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي অনুবাদ হবে এমন-"এবং নিশ্চয় আমরা আপনাকে উপহার দিয়েছি বারংবার পড়ার জন্য 7 টি আয়াত বা সূরা ফাতিহা"।
প্রশ্ন হবে- প্রতি রাকাতে কি সূরা ফাতিহা পড়তেই হবে?? উত্তর খুব সহজ- 15:87 আয়াত থেকে কি বুঝলেন?? প্রশ্ন হবে- ইমামের পিছনেও?? উত্তর খুব সহজ- শুধু পিছনে নয়, সমানেও। হা হা হা হা হা, মজা করলাম!!
প্রশ্ন হবে- জিররি সালাতে কি করব?? এই আয়াতটি দেখুন- وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং যখন কোরান পড়া হয়, তখন তা মনোযোগ দিয়ে শোনও এবং চুপ করে থাকবে, যেন দয়া পেতে পারও"(7:204)।
পাঠক, কি বুঝলেন?? এটাই বোঝা গেল- এখন আপনাকে 7:204 ও 15:87 এই আয়াতের উপর এক সঙ্গে আমাল করতে হবে!! প্রশ্ন হবে- কিভাবে?? উত্তর সহজ, খুবই সহজ, একেবারেই সহজ!!
কেমন সহজ?? এমন সহজ- 15:87 আয়াত অনুযায়ী সূরা ফাতিহা আপনাকে পড়তেই (যদি জানা থাকে), তা হোক ইমামের পিছনে বা সামনে, কোনও ছাড় নেই কিন্তু 7:204 আয়াত অনুযায়ী ইমাম পড়লে আপনাকে চুপ থাকতে হবে এবং শুনতেই হবে!!
তাহলে?? তহলে আবার কি?? জিররিতে আপনি শুনবেন, চুপ থাকবেন (7:204) এবং মনে-মনে পড়বেন (15:87)। সিররিতে মুখে উচ্চারণ করে পড়বেন কিন্তু পড়তে আপনাকে হবেই (15:87)। পাঠক, মাথায় ঢুকল কি??? মনে হয়ে ঢুকেছে কিন্তু সম্মানিত হারামখোরদের মাথায় ঢুকবে না, ওদের মাথায় বাজ পড়েছে!
৩) পাঠক, 18 এর আর কি কোনও অর্থ আছে?? কি যে বলেন ভাই, হোসেন কুরানী আছে, 18 এর অন্য কোনও অর্থ থাকবে না, তা কি হয়/ হতে পারে?? কি করে ভাবলেন রে ভাই?? মনে রাখবেন- পৃথিবীর ঘূর্ণন বন্ধ হয়ে গেলেও হতে পারে কিন্তু হোসেন কুরানী বেঁচে আছে, আর কোরানের ব্যাখ্যা বন্ধ হয়ে যাবে- কিয়ামত পর্যন্ত এটা হওয়া কখনও সম্ভব নয়, কখনও নয়!!
এ প্রশ্নের উত্তর পরে দিচ্ছি, এখন প্রশ্ন হবে- কিছুক্ষণ আগে দেখলাম যে, 7 টি আয়াত এবং 7 টি আয়াতে 9 টি আল্লাহর নাম ব্যবহৃত হয়েছে, এর কি নিদিষ্ট কোনও অর্থ আছে?? উত্তর সহজ- হোসেন কুরানী আছে, তাহলে অর্থও আছে, হোসেন কুরানী না থাকলে অর্থ নেই!!
এখানে হয়ত কেউ-কেউ বলতে পারেন- আপনি এত Dialogue মারেন কেন, সরা-সরি উত্তর দিতে পারেন না?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব কঠিন, তাই 7 ও 9 এর অর্থ কি, এ বিষয়ের উত্তর দিই, হ্যাঁ??
7× 9= 63, এবার নিজে বুঝে নিন। সব কি আমিই বলব, তাহলে আপনি কি করবেন রে ভাই?? বুঝতে পারেন নি, তাহলে এতদিনে কি করলেন?? হোসেন কুরানীর পাঠক এত বোকা হয় কিভাবে??
এখন রাত 4:10 বাজে ও 07.02.2021 তারিখ। আজ মনে হয় আজ Rose day, তাই না?? আজ থেকে 2 বছর আগে অর্থাৎ 07.92.2019 এর Rose day টা ছিল অতি প্রেমময়, কারণ ★ ★'কে Rose উপহার দিয়ে ছিলাম যে!! আররেহ যাহ!! 63 এর বিষয়টি বলি নি, তাই না?? একটু পর বলছি। এখন Rose day সম্পর্কে একটু বলি, হ্যাঁ??
হ্যাঁ হ্যাঁ, নিদিষ্ট কোনও Day পালন করা বিদআত ও হারাম- তা জানি!! এ জন্যই তো তারিখ পরিবর্তনের পর অর্থাৎ রাত 12 টার পর দিয়েছিলাম। মানে- তখন তো নিয়ম অনুযায়ী 08.02.2019 হয়ে গিয়েছিল। তাই না?? আর বিদআত সম্পর্কে বিস্তারিত Link এ-
যাইহোক, 63 এর বিষয়টি হল- চন্দ্র বছর অনুযায়ী বিশ্বনাবী (সা)- এর জীবনকাল ছিল 63 বছর। পাঠক, এখন আপনাদের নতুন ধরণের একটা সংখ্যা তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ দেখাতে চাইছি। দেখতে চাইবেন??
আচ্ছা পাঠক, যদি কেউ আপনাকে প্রশ্ন করে যে, যে কোনও ধরণের বই ছাড়া আপনি কি প্রমাণ করতে পারবেন- নাবী (সা)- এর জীবনকাল কত বছরের ছিল?? দ্বিতীয় প্রশ্ন- হোসেন কুরানী ছাড়া এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত এই পৃথিবীর কারও আছে বা ছিল বা কখনও হবে??
বলুন পাঠক, আপনার উত্তর কি হবে?? আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর কি হবে?? দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে এটাই বলতে বাধ্য হবেন- হোসেন কুরানী ছাড়া এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত এই পৃথিবীর কারও নেই বা ছিল না বা কখনও হবেও না!!
আর এবার দেখুন- প্রথম প্রশ্নের উত্তর!! মুহাম্মদ (সা) নামটির আরবি হল- مُحَمَّد (ص) অর্থাৎ م (মিম), ح (হা), م (মিম), د (দাল)। পাঠক, এবার আমরা আরবি হারাফ গুলোর Numbering করব।
যেমন- م হল আরবি বর্ণমালার 24 নং হারাফ, ح হল 6 নং, م হল 24 ও د হল 8 নং হারাফ। এবার যোগ করে দেখুন- 24+ 6+ 24+ 8= 62 হচ্ছে, তাই না?? এখন প্রশ্ন হবে- 62'র অর্থ কি??
নাবী (সা)- এর জীবনকাল রে ভাই, আপনি বুঝতে পারেন নি?? ওওওও আচ্ছা, উপরে 63 ও নিচে 62 হচ্ছে বলে বুঝতে পারেন নি?? দাঁড়ান বলছি- আসলে পৃথিবীতে মোটা-মুটি 2 ধরণের Year হয়, Solar year ও Lunar year, তাই না??
Solar year এ এক বছর হয়- 365 দিনে (365 দিনের একটু বেশি, মোটা-মুটি 365 days 5 hours 48 min 46 sec মতো) ও Lunar year এ এক বছর হয়- 354 দিনে (354 days 8 hours 48 min 34 sec মতো)।
তার মানে হল- 33 lunar year এ 1 solar year এর পার্থক্য চলে আসে, তাই না?? হ্যাঁ, এই জন্যই Lunar year এ নাবী (সা)- এর জীবনকাল 63 বছর হয়, Solar year এ 62 বছর হয়!! বুঝলেন??
বলে রাখা ভাল হবে- যদি নাবী (সা) Lunar year এ 66 বছর বাঁচতেন, তাহলে Solar year এর সঙ্গে 2 বছরের পার্থক্য হতো। যাইহোক, হোসেন কুরানী কত দিন বাঁচবেন??
যদি বিশ্ব নাবী (সা)- এর মতো করে বয়স বের করা হয়, তাহলে কমপক্ষে 100 বছর কিন্তু হোসেন কুরানী কে আল্লাহ সম্মানিত হারামখোর ও বিশুদ্ধ গাঁজাখোর মুক্ত পৃথিবী তৈরির দায়িত্ব দিয়েছেন- এ জন্য আল্লাহ তার দয়া দ্বারা আরও 50 বছর মতো বয়স উপহার দিয়েছেন!! মানে হোসেন কুরানীর হাতে এখনও 120 বছর 10 মাসের বেশি আছে!!
যাইহোক, তাহলে কি বুঝতে পেরেছেন- 7 আয়াতে 9 বার আল্লাহর নাম কেন ব্যবহৃত হয়েছে?? আমরা তো ভুলেই গেছি যে, 18 এর আরও একটা অর্থ খুঁজে বের করতে চাইছিলাম। তাই না পাঠক??
তাহলে দেখুন- 18> 1- 8= 7 ও 18> 1 + 8= 9, তাই তো হচ্ছে গো, না কি?? তাহলেও 7 ও 9 হচ্ছে তো?? তাই 7 × 9= 63 হচ্ছে তো?? পাঠক, এই লেখা গুলো শুধুমাত্র পড়বেন না বরং Fell করার চেষ্টা করবেন। তা হলে পড়তে ভাল লাগবে কিন্তু বুঝতে পারবেন না!!
৪) পাঠক, 18 এর আর কি কোনও অর্থ আছে?? কি যে বলেন ভাই, হোসেন কুরানী আছে, 18 এর অন্য কোনও অর্থ থাকবে না, তা কি হয়/ হতে পারে?? কি করে ভাবলেন রে ভাই??
এ প্রশ্নের উত্তর পরে দিচ্ছি, এখন একটা প্রশ্ন হবে, তা হল- কোরান Solar year এর কথা বলে, না কি Lunar year এর?? পাঠক, কি হবে এ প্রশ্নের উত্তর কি হবে?? আররেহ ভাই, অনুমানই করুন না, খুব বেশি হলে ভুলই তো হবে!!
আচ্ছা, ছাড়ুন আমি বলছি। আপনাকে আর বলতে হবে না। দেখুন- وَجَعَلَ اللَّيْلَ سَكَنًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ حُسْبَانًا
অনুবাদ হবে এমন-"এবং তিনি রাত উপস্থিত করেছেন বিশ্রামের জন্য এবং সূর্য ও চন্দ্রকে হিসাবের জন্য"(6: 96)। পাঠক, আমাকে কি আর কিছু বলতে হবে, না কি আপনি বুদ্ধিমান??
তবে আপনি বোকা হলেও আমার তাতে কি, তাই না?? খুব বেশি হলে, এত কষ্ট করে লেখাটা বেকার হয়ে যাবে এবং আমার হাতে থাকা 120 বছর 11 মাস থেকে শুধু শুধু 15-20 দিন নষ্ট হয়ে গেল- এ জন্য একটু দুঃখ ছাড়া আর কিছুই হবে না!!
এর বেশি কি আর হবে, তাই বলুন?? যাইহোক, এবার আমরা 18 এর অর্থ খোঁজার চেষ্টা করব!! এই 18 এর অন্য একটি অর্থ হল- 8 + 10= 18, তাই তো?? এবার দেখুন- الْحَمْدُ لِلَّهِ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য) তে 8 টি হারাফ এবং رَبِّ الْعَالَمِينَ (মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালকে) তে আছে 10 টি হারাফ। কিছু বুঝলেন পাঠক??
অর্থাৎ 1:1 আয়াতের দাবি হল- সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য'র মান হল- 8 এবং কেন সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, তার মান হল- 10, তাই না?? আচ্ছা, আমি কি বোঝাতে পারলাম??
৫) পাঠক, 18 এর আর কি কোনও অর্থ আছে?? কি যে বলেন ভাই, হোসেন কুরানী আছে, 18 এর অন্য কোনও অর্থ থাকবে না, তা কি হয়/ হতে পারে?? কি করে ভাবলেন রে ভাই??
এখন অন্য একটা প্রশ্নের উত্তর দিই- সূরা ফাতিহাতে নাবী (সা)- এর জীবনকাল কেন উল্লেখ করা হয়েছে?? উত্তর খুব কঠিন হলেও লোকে বলে- যেখানে হোসেন কুরানী আছে, সেখানে কঠিন বলে কিছু থাকে না, এটা তো জানেন, না কি??
আরও একটা প্রশ্ন হবে- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়া ফারাদ বা ওয়াজিব কেন?? এবার আমরা ধীরে ধীরে উত্তরের দিকে এগিয়ে যেতে চাইছি। পাঠক, কি বলেন গো?? তাহলে উত্তর শুরু করি, না কি??
সুধী পাঠক, আপনাদের একটা প্রশ্ন করে নিতে চাই এবং তা হল- কোরানের গভীরে দৃষ্টিপাত করতে পারছি তো?? আর আপনি কি এই লেখা থেকে নতুন কিছুর স্বাদ পাচ্ছেন?? বলবেন তো, কি হল?? বলুন, আররেহ বলুন না!!
এবার প্রশ্নে ফিরে আসি, হ্যাঁ?? ভাই, সূরা ফাতিহাতে শুধু নাবী (সা)- এর জীবনকাল উল্লেখ নেই বরং গোটা জীবনীই উল্লেখ আছে। কোরানের গভীরে দৃষ্টির 99 টি পর্ব পড়ুন, বুঝতে পারবেন- ইনশাআল্লাহ!!
প্রশ্ন হবে- হোসেন কুরানী ভাই কি পাগল হয়ে গেলেন না কি?? সূরা ফাতিহায় নাবী (সা)- এর পরিপূর্ণ অর্থাৎ গোটা জীবনী- এটা তো অসম্ভব!! ভাই, আপনার জ্ঞানে অসম্ভব, হোসেন কুরানীর জ্ঞানে নয়!! আর এটা মনে রাখবেন যে, মানুষের জ্ঞান যেখানে শেষ হয়, হোসেন কুরানী তারপর থেকে শুরু করতে পারে!!
আচ্ছা পাঠক, 3 দিন পর 13.02.2021 তারিখ, তাই না?? এই দিনটা কখনও ভোলার নয়, দিনটি আমার ও তার বিচ্ছেদের প্রথম ধাপ, বিচ্ছেদ হল- 10.10.2019 তারিখে।
তবে খুশির খবর হল- 2 দিন আগে বাংলাদেশের প্রিয় রুবেল ভায়ের সঙ্গে ফারিয়া রাহমান বর্ষার বিয়ে দিলাম এবং বিয়ে পড়ালাম একটি সুন্দর হীরার অংটি মোহরানাতে। যদিও হীরার আংটির Concept টা কিন্তু আমারই ছিল!!
এখানে হাঁসির কথা হল- আমাদের অন্যতম প্রিয় জহিরুল ভাই এখনও একা রয়ে গেল। এর চেয়েও বেশি হাঁসির কথা হল- হোসেন কুরানীও একা!! তবে হোসেন কুরানী একা আছেন, ভাল আছেন। কেউ থাকলেই তাকে হারানোর ভয় থাকে!! তাই না পাঠক??
তবে আমি বিয়ের পর তার সঙ্গে থাকার জন্য একটি Flat কিনেছিলাম এবং Flat টি মোহরানা হিসাবে তাকে দিতে চেয়েছিলাম এবং 100 gram সোনার গহনা ও তাদের বিবাহ অনুষ্ঠানের সমস্ত খরচও দিতে চেয়ে ছিলাম কিন্তু তার স্বামী হওয়ার মতো এত বড় সৌভাগ্য আমার আর কোথায়!!
তার স্বামী হওয়া কি ছেলে-খেলা কথা, না কি?? তিনি কত Special একবার ভাবুন যে, হোসেন কুরানী তাকে Propose করেছিলেন!! তাই তার স্বামী হওয়ার মতো এত বড় সৌভাগ্য আমার আর কোথায়!!
তিনি যে কত Special, তা এ থেকেও বোঝা যাচ্ছে যে, আমি আজও তার জন্য লিখছি এবং হোসেন কুরানী তাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য দিন ও তার স্মৃতিতে কেঁদে রাত কাটায়!! তার স্বামী হওয়ার মতো এত বড় সৌভাগ্য আমার আর কোথায়!!
যাইহোক, রুফা (রুবেল ও ফারিয়া) সুখী হোক- সবাই এই দুয়া করুন। দুয়াতেও কৃপণতা করবেন?? হ্যাঁ আর শুনুন- লেখা শেষ, তাই এবার যান এবং তাদের জন্য বেশি করে দুয়া করুন!!
আররেহ হ্যাঁ, আমি তো বলতে ভুলেই গেছি- পরবর্তী পর্বের জন্য খুব সুন্দর ভাবে অপেক্ষা করুন। আর মনে রাখবেন- এই 99 টি পর্ব আপনার ইসলাম ও কোরান অনুধাবনের ক্ষমতা নিশ্চিত বাড়িয়ে তুলবে। তবে, খুব সাবধান সম্মানিত হারামখোরদের থেকে, যারা আবার বিশুদ্ধ গাঁজাখোর নামেও সুপরিচিত!!
প্রকাশকাল : 11.02.2021
সংস্করণ ও দ্বিতীয় প্রকাশকাল : 13.02.2021
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।

No comments:
Post a Comment